Naoshima Japan art destination: শিল্প অতীত থেকে বৈশ্বিক শিল্প গন্তব্যে

নাওশিমা, যা একসময় তুলনামূলকভাবে অচেনা একটি দ্বীপ ছিল এবং তামা গলানোর ব্যবসা পরিবেশ দূষণকারী হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন এটি বিশ্বের সবচেয়ে আশ্চর্যজনক Naoshima Japan art destination হিসেবে স্বীকৃত। আজ, জাপানের সেতো অভ্যন্তরীণ সাগরের এই ছোট্ট ফাঁড়িটি সারা বিশ্বে একটি জীবন্ত ক্যানভাস যেখানে শিল্প, স্থাপত্য এবং প্রকৃতি একত্রিত হয়েছে। ২০২৫ সালটি এ যাবৎকালের সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ বছরগুলির মধ্যে একটি হতে চলেছে।


“আর্ট আইল্যান্ড”-এর জন্য নতুন অধ্যায়

এই বসন্তে নাওশিমায় উদযাপিত হবে নাওশিমা নতুন শিল্প জাদুঘরের উদ্বোধন, যা বিশ্ববিখ্যাত স্থপতি তাদাও আন্দো ডিজাইন করেছেন। আন্দো ইতিমধ্যেই চিচু আর্ট মিউজিয়াম, বেনেসে হাউস মিউজিয়াম এবং লি উফান মিউজিয়ামের মতো প্রকল্পের মাধ্যমে দ্বীপে অমোচনীয় ছাপ রেখেছেন। নতুন জাদুঘর উদ্বোধনের মাধ্যমে তিনি Naoshima Japan art destination-এর দৃশ্যপটে তার নবম অবদান রাখবেন, যেখানে এশীয় শিল্পীদের কাজ প্রদর্শিত হবে।


সেতোচি ট্রিয়েনালে ২০২৫: দ্বীপপুঞ্জ জুড়ে শিল্প উৎসব

জাদুঘরের আত্মপ্রকাশের সাথে মিলিত হবে সেতোচি ট্রিয়েনালে ২০২৫, যা ২০১০ সালের পর সবচেয়ে বিস্তৃত সংস্করণ হতে চলেছে। শত দিনের এই উৎসব বসন্ত, গ্রীষ্ম ও শরৎ—তিন ঋতু জুড়ে চলবে। সতেরোটি দ্বীপ ও উপকূলীয় এলাকাজুড়ে প্রদর্শিত হবে সমসাময়িক শিল্পকর্ম, স্থাপনা ও পরিবেশনা। দর্শনার্থীরা ঋতু পরিবর্তনের সাথে সাথে Naoshima Japan art destination অঞ্চলের রূপান্তর প্রত্যক্ষ করতে পারবেন।


ভারী শিল্প থেকে সাংস্কৃতিক পুনর্জাগরণ

নাওশিমার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন এসেছে ফুকুতাকে ফাউন্ডেশন ও বেনেসে কর্পোরেশন পরিচালিত “বেনেসে আর্ট সাইট নাওশিমা” থেকে। একসময়ের তামা গলানোর দূষিত শিল্পাঞ্চল পরিণত হয়েছে একটি আন্তর্জাতিক Naoshima Japan art destination-এ। শিল্পী ও স্থপতিদের স্থান-নির্দিষ্ট কাজ দ্বীপের সম্প্রদায়কে নতুন প্রাণ দিয়েছে।


ইয়ায়োই কুসামার কুমড়ো: নাওশিমার প্রতীক

ইয়ায়োই কুসামার হলুদ পোলকা-ডটেড কুমড়ো ভাস্কর্য আজ দ্বীপের আইকন। ঘাটের শেষে অবস্থিত এই ভাস্কর্য শুধু শিল্পপ্রেমীদের আকর্ষণই নয়, বরং নাওশিমার পুনর্জন্মের প্রতীকও।


প্রতিবেশী দ্বীপপুঞ্জের শিল্প আন্দোলন

তেশিমা ও ইনুজিমাও এখন শিল্পের মাধ্যমে পুনর্জাগরণ ঘটাচ্ছে।

  • তেশিমা আর্ট মিউজিয়াম: রেই নাইটো ও রিউ নিশিজাওয়ার ডিজাইন করা এই জাদুঘর প্রকৃতি ও স্থাপত্যের নিখুঁত সংমিশ্রণ।
  • ইনুজিমা সেরেঁশো আর্ট মিউজিয়াম: একসময়ের তামা শোধনাগারের ধ্বংসাবশেষকে শিল্পকর্মে রূপান্তরিত করেছে।

আর্ট দ্বীপপুঞ্জে কোথায় থাকবেন

  • রোকা রিওকান (নাওশিমা): ঐতিহ্যবাহী জাপানি আতিথেয়তার সাথে আধুনিক আরাম।
  • এস্পোয়ার ইন (তেশিমা): শান্ত, ন্যূনতম এবং চিন্তাশীল থাকার অভিজ্ঞতা।

ট্রিয়েনালে মৌসুমে (বসন্ত, গ্রীষ্ম, শরৎ) আগে থেকেই বুকিং করুন।


কেন ২০২৫-এই ভ্রমণের সেরা সময়

২০২৫ সালে নাওশিমা নতুন শিল্প জাদুঘরের উদ্বোধন এবং সেতোচি ট্রিয়েনালের সম্প্রসারণ এটিকে এক অবিস্মরণীয় Naoshima Japan art destination বানাবে। অভিজ্ঞ ভ্রমণকারী বা প্রথমবারের মতো জাপান ভ্রমণকারী—সবার জন্য এটি শিল্প, স্থাপত্য এবং প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের মেলবন্ধন।


🧭 ভ্রমণের জন্য প্রয়োজনীয় তথ্য: Naoshima Japan art destination

🚆 সেখানে পৌঁছানোর উপায়

  • ট্রেনে: ওকায়ামা থেকে জেআর উনো লাইন ধরে উনো স্টেশনে যান (৫০ মিনিট)। উনো বন্দর থেকে ফেরি (২০ মিনিট)।
  • বিমানে: নিকটতম বিমানবন্দর তাকামাতসু, সেখান থেকে বাস ও ফেরি সংযোগ।

🌸 ভ্রমণের সেরা সময়

  • বসন্ত (মার্চ–মে): চেরি ফুল ও ট্রিয়েনালে খোলা।
  • গ্রীষ্ম (জুলাই–আগস্ট): উৎসবমুখর মরসুম।
  • শরৎ (সেপ্টেম্বর–নভেম্বর): শীতল আবহাওয়া ও শরতের রঙ।

🖼️ অবশ্যই দেখার মতো স্থান

  • নাওশিমা নতুন শিল্প জাদুঘর (২০২৫)
  • চিচু আর্ট মিউজিয়াম
  • বেনেসে হাউস মিউজিয়াম
  • লি উফান মিউজিয়াম
  • ইয়ায়োই কুসামার কুমড়ো
  • তেশিমা আর্ট মিউজিয়াম (আগাম বুকিং প্রয়োজন)
  • ইনুজিমা সেরেঁশো আর্ট মিউজিয়াম

📝 ভ্রমণ নোট

  • নাওশিমা ও তেশিমার জাদুঘরে প্রবেশ সীমিত ধারণক্ষমতার কারণে আগাম বুকিং করুন।
  • ভ্রমণের পরিকল্পনায় আগে থেকেই আসন নিশ্চিত করুন।

আরও জানুন: অফিসিয়াল রিসোর্স

1. Benesse Art Site Naoshima (Official)

2. Setouchi Triennale 2025

আজকের বিনিময় হার সম্পর্কে সর্বশেষ তথ্য জেনে নিন।আজকের বিনিময় হার।

বৃহস্পতিবার, সপ্তাহের পঞ্চম এবং শেষ কার্যদিবস, আজ এখানে। দেশের মুদ্রা বাজারে বর্তমানে লেনদেন চলছে, আর বিনিয়োগকারীদের নজর আজকের বিনিময় হার-এর দিকে। গত কয়েকদিন ধরে ডলারের মূল্য হ্রাস পেলেও আজ সামান্য বৃদ্ধি লক্ষ্য করা গেছে। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য আজকের বিনিময় হার বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ, কারণ এটি আমদানি-রপ্তানি খরচের ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলে।

গত সপ্তাহে টানা ছয় দিন ডলারের দাম বৃদ্ধির পর বৃহস্পতিবার ডলারের দাম হ্রাস পেয়েছে। সাধারণভাবে, জুলাই মাসে ডলারের দামের ওঠানামা দেখা গেছে। আগস্টে এই স্তরটি কিছুটা কমে গেলেও, এই প্রবণতা অব্যাহত রয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংক জানিয়েছে যে আজ ডলারের মূল্যের পরিসর ছিল ১২১.৭৮ টাকা থেকে ১২১.৬৬ টাকা। আজ, এক ডলারের গড় মূল্য প্রায় ১২১.৭২ টাকা।

দেশের মুদ্রার অবস্থা বর্তমানে অনিশ্চিত। আজ, প্রধান মুদ্রার মধ্যে ইয়েন, ইউয়ান এবং রুপির মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে। ইউরো এবং পাউন্ড উভয়েরই মূল্য হ্রাস পেয়েছে। পাউন্ড এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মূল্য বৃদ্ধি পেয়েছে।

মুক্ত বাজারে, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কর্তৃক ঘোষিত মূল্যের তুলনায় বৈদেশিক মুদ্রার দাম সামান্য প্রিমিয়ামে বিক্রি হয়। দেশের অভ্যন্তরে ব্যবসা এবং বাণিজ্যের খরচ অন্যান্য দেশের তুলনায় এর মুদ্রার মূল্যের পরিবর্তনের সাথে সংবেদনশীল। এই কারণে ব্যবসায়ীরা প্রতিদিনের হালনাগাদ তথ্য ও আজকের বিনিময় হার নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করেন

ভোগে নতুন সম্পাদকীয় প্রধান ক্লোয়ি মাল: আনা উইনটুরের উত্তরসূরি

ভোগে নতুন সম্পাদকীয় প্রধান ক্লোয়ি মাল

ভোগে নতুন সম্পাদকীয় প্রধান হিসেবে ক্লোয়ি মালকে দায়িত্ব নেওয়ার খবর প্রকাশিত হয়েছে। প্রায় চার দশক ধরে মার্কিন ভোগকে নেতৃত্ব দেওয়া আনা উইনটুর পদ ছাড়ার পর ক্লোয়ি মাল মার্কিন ভোগের নেতৃত্বে নতুন অধ্যায় শুরু করছেন।

ক্লোয়ি মালের অভিজ্ঞতা ও কাজ

৩৯ বছর বয়সী ক্লোয়ি মাল ভোগের সঙ্গে দশকেরও বেশি সময় ধরে যুক্ত। তিনি – Vogue.com এর সম্পাদক এবং জনপ্রিয় পডকাস্ট The Run-Through-এর সহ-সঞ্চালক।

ক্লোয়ি ভোগে যোগ দেওয়ার আগে ফ্রিল্যান্স কাজ ও New York Observer-এর সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে নাওমি বাইডেনের বিয়ের ফটোশুট এবং লরেন সানচেজের এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকার।

আনা উইনটুরের উত্তরাধিকারী হিসেবে দায়িত্ব

৭৫ বছর বয়সী আনা উইনটুর মার্কিন সম্পাদকীয় দায়িত্ব থেকে সরে দাঁড়ালেও তিনি ভোগের গ্লোবাল এডিটোরিয়াল ডিরেক্টর এবং কনডে ন্যাস্টের চিফ কনটেন্ট অফিসার হিসেবে থাকবেন।

উইনটুর ১৯৮৮ সাল থেকে ভোগকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছেন। তিনি মেট গালাকে একটি স্থানীয় ফান্ডরেইজার থেকে বিশ্বজুড়ে আলোচিত সাংস্কৃতিক ইভেন্টে রূপান্তরিত করেছেন।

ফ্যাশন জগতে নতুন দৃষ্টিভঙ্গি

ভোগে নতুন সম্পাদকীয় প্রধান ক্লোয়ি মাল মার্কিন ভোগকে আরও আধুনিক ও ডিজিটাল ফোকাসের দিকে এগোতে সাহায্য করবেন। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, তার নেতৃত্বে ভোগের কনটেন্ট এবং ডিজাইন নতুন দৃষ্টিভঙ্গি পাবে, যা তরুণ পাঠক এবং ডিজিটাল অডিয়েন্সের সঙ্গে সংযুক্ত করবে।

এই পরিবর্তন শুধুমাত্র মার্কিন ভোগের জন্য নয়, বরং বৈশ্বিক ফ্যাশন ইন্ডাস্ট্রিতেও নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে।

সোর্স: রয়টার্স

Read more: ভোগে নতুন সম্পাদকীয় প্রধান ক্লোয়ি মাল: আনা উইনটুরের উত্তরসূরি

আন্তর্জাতিক ফ্যাশন সংবাদ

Abdur Rahman Al-Amin
Abdur Rahman Al Amin Avatar

“বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানি নিষিদ্ধ করার পর ভারত পোশাক ঘাটতির সম্মুখীন”

ভারতীয় ফ্যাশন বাজারে পোশাক ঘাটতি

দ্য ইকোনমিক টাইমস জানিয়েছে, বাংলাদেশ থেকে তৈরি পোশাক আমদানির দীর্ঘমেয়াদী নিষেধাজ্ঞার কারণে ভারতের সুপরিচিত ফ্যাশন ব্যবসায়ীরা মজুদের ঘাটতিতে পড়েছে। মার্কস অ্যান্ড স্পেন্সার, এইচএন্ডএম, জুডিও ও লাইফস্টাইলসহ একাধিক ব্র্যান্ড ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

আমদানি নিষেধাজ্ঞার সরকারি সিদ্ধান্ত

১৭ মে ভারতের বৈদেশিক বাণিজ্য অধিদপ্তর (ডিজিএফটি) বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির উপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। বর্তমানে কেবল কলকাতা ও নহাভা শেভা সমুদ্রবন্দর দিয়ে সীমিত আমদানি অনুমোদিত, যা সরবরাহ শৃঙ্খলে বড় বাধা তৈরি করছে।

সরবরাহ শৃঙ্খলে বিলম্ব ও বিকল্প উৎপাদন

এই পরিবর্তনের ফলে দুই থেকে তিন সপ্তাহ বিলম্ব হচ্ছে সস্তা পণ্যের সরবরাহে। ফলে লাইফস্টাইল, রিলায়েন্স ও আদিত্য বিড়লা নিজেদের কিছু পণ্য অভ্যন্তরীণভাবে উৎপাদন শুরু করেছে।

ব্যবসায়ীদের প্রতিক্রিয়া ও বাজারে প্রভাব

লাইফস্টাইল ইন্টারন্যাশনালের সিইও দেবরাজন আইয়ার বলেছেন, স্থানীয়ভাবে উৎপাদন বাড়ালেও বাংলাদেশ থেকে আসা কিছু পণ্যে বিলম্ব হচ্ছে। ছোট ব্যবসা ও ধূসর বাজারে সক্রিয় ব্যবসায়ীরা বিশেষভাবে ক্ষতিগ্রস্ত।

পরিবহন ব্যয় ও বাজার খরচ বৃদ্ধি

সমুদ্রবন্দর দিয়ে পরিবহন খরচ বৃদ্ধির কারণে বাংলাদেশি পোশাক আমদানির খরচ ৩%–৫% পর্যন্ত বাড়তে পারে। তবে ভারতের পোশাক প্রস্তুতকারক সমিতির উপদেষ্টা রাহুল মেহতা মনে করেন, এর প্রভাব তাৎক্ষণিকভাবে দৃশ্যমান নাও হতে পারে।

আমদানির প্রবণতা ও পরিসংখ্যান

টিটি ইন্ডাস্ট্রিজের এমডি সঞ্জয় জৈন বলেন, বাংলাদেশ থেকে পোশাক আমদানির হার প্রতি বছর প্রায় এক-চতুর্থাংশ শতাংশ কমেছে। তথাপি ২০২4 সালের জানুয়ারি–জুনে ভারত বাংলাদেশ থেকে ২৫৪.৪৪ মিলিয়ন ডলারের পোশাক কিনেছে, যা গত বছরের তুলনায় ৩.৫% বেশি।

ইউক্রেন যুদ্ধ: সিওলে বলছে, ২,০০০ উত্তর কোরীয় সৈন্য নিহত

২,০০০ উত্তর কোরীয় সৈন্য নিহত: সিওলের তথ্য

২,০০০ উত্তর কোরিয়া সৈন্য নিহত ইউক্রেনে

দক্ষিণ কোরিয়ার গোয়েন্দা সংস্থা জানিয়েছে যে প্রায় ২,০০০ উত্তর কোরিয়া সৈন্য নিহত হয়েছেন। তারা রাশিয়ার হয়ে ইউক্রেনে যুদ্ধ করছিল।

এর আগে এপ্রিল মাসে নিহতের সংখ্যা ছিল ৬০০। তবে নতুন তথ্য বলছে, এই সংখ্যা বেড়ে চারগুণ হয়েছে।

👉 বিস্তারিত পড়ুন: রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের আপডেট

ড্রোন হামলায় রাশিয়ায় ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি

অন্যদিকে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় দক্ষিণ রাশিয়ার শহর রোস্তভ-অন-ডনে আতঙ্ক ছড়িয়েছে। এ সময় অন্তত ৩০০ মানুষকে নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, তারা ১৩টি ড্রোন ভূপাতিত করেছে। তবে কয়েকটি ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং তিনজন আহত হন। এর মধ্যে একটি শিশু ছিল।

👉 আরও পড়ুন: ইউক্রেনের ড্রোন হামলার বিশদ তথ্য

রাশিয়ার হামলায় ইউক্রেনে হতাহতের খবর

এছাড়া রাশিয়ার ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় ইউক্রেন জুড়ে অন্তত পাঁচজন নিহত হয়েছেন।

  • কিয়েভ অঞ্চলে আগুনে একজন মারা যান।
  • ডোনেটস্কে একজন নিহত এবং সাতজন আহত হন।
  • জাপোরিজজিয়ায় দুজন নিহত হন।
  • খেরসনের বালোজেরকায় গোলায় একজন নিহত হন।

ইউরোপীয় ইউনিয়নের প্রতিরক্ষা ব্যয়ে রেকর্ড

ফলে ইউরোপীয় ইউনিয়ন এবার প্রতিরক্ষা ব্যয়ে রেকর্ড গড়তে যাচ্ছে। ২০২৫ সালে ব্যয় হবে প্রায় €৩৮১ বিলিয়ন ($৪৪৪ বিলিয়ন)

গত বছর ব্যয় ছিল €৩৪৩ বিলিয়ন। অর্থাৎ মাত্র এক বছরে তা ২০% বেড়েছে। এছাড়া এ বছর আরও ১০% বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে।


উত্তর কোরিয়ার ভবিষ্যৎ সেনা মোতায়েন

তাছাড়া উত্তর কোরিয়া আরও ৬,০০০ সৈন্য পাঠানোর পরিকল্পনা করছে। দক্ষিণ কোরিয়ার দাবি অনুযায়ী এর মধ্যে ১,০০০ জন ইতিমধ্যেই রাশিয়ায় পৌঁছেছে।

যদিও রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে এসব তথ্য স্বীকার করেনি। তবে বিশ্লেষকরা বলছেন, এই সেনা পাঠানো যুদ্ধের গতি পরিবর্তন করতে পারে।

সোর্স: DW

আবার মুখোমুখি বন্ধুত্বের গল্প, পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক কি বদলে যাচ্ছে

পাকিস্তান বাংলাদেশ সম্পর্কের নতুন দিক

ইসলামাবাদ সম্প্রতি বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক মজবুত করতে ত্বরান্বিত পদক্ষেপ নিচ্ছে। আগস্ট ২৩-এ পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং সহ-প্রধানমন্ত্রী ইশাক দার ঢাকায় পৌঁছান। এটি ১৩ বছরে প্রথম উচ্চপদস্থ পাকিস্তানি কর্মকর্তার সফর। তিনি সফরকে “ঐতিহাসিক” এবং দুই দেশের পুনরুজ্জীবিত অংশীদারিত্বের নতুন পর্যায়ের সূচনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

দার বলেন,

“কারাচি থেকে চট্টগ্রাম, কুয়েতা থেকে রাজশাহী, পেশাওয়ার থেকে সিলেট এবং লাহোর থেকে ঢাকা, আমাদের যুবকরা একসাথে কাজ করবে চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় এবং ভাগ্য ভাগাভাগি করবে।”

এটি স্পষ্ট করে যে পাকিস্তান বাংলাদেশ সম্পর্ক কেবল রাজনৈতিক নয়, বরং সামাজিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সম্প্রসারণের লক্ষ্য নিয়েছে।


পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য কূটনৈতিক বৈঠক

কূটনৈতিক ও সামরিক উদ্যোগ

গত কয়েক মাসে দুই দেশের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক বিনিময় দ্রুত বেড়েছে। লে. জেনারেল এস এম কামর-উল-হাসান এবং নৌবাহিনী প্রধানের সফর, পাকিস্তানি পররাষ্ট্র সচিবের ঢাকায় যাত্রা, এবং অভ্যন্তরীণ মন্ত্রী মোহসিন নাকভীর সফর দুই দেশের সম্পর্ককে ঘনিষ্ঠ করেছে।

তাছাড়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিশেষজ্ঞ দেলওয়ার হোসাইন বলেন,

“পাকিস্তানের এই তাড়াহুড়ো কৌশলগত। তারা দেখতে পাচ্ছে যে হাশিনা সরকারের পরবর্তী সময়ে সম্পর্ক পুনরুজ্জীবিত করার সুযোগ এসেছে।”

ফলে, পাকিস্তান বাংলাদেশ সম্পর্ক এখন গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি ত্বরান্বিত।


অর্থনৈতিক সহযোগিতার সম্ভাবনা

বাংলাদেশ গত কয়েক বছরে ৬% প্রবৃদ্ধি করেছে, আর পাকিস্তান ২.৫%। দুই দেশ যদি বাণিজ্য পুনর্জীবিত করে, তারা উভয়েই লাভবান হতে পারে। উদাহরণস্বরূপ: পাকিস্তান থেকে কটন, টেক্সটাইল, চাল, সিমেন্ট, ফল ও প্রক্রিয়াজাত খাদ্য, এবং বাংলাদেশ থেকে জুট, রাসায়নিক, হাইড্রোজেন পারক্সাইড ও তামাক পণ্য আমদানি করা যেতে পারে।

এছাড়া, দুই দেশের combined population ৪৩০ মিলিয়ন, যা পশ্চিম ইউরোপের চেয়ে দ্বিগুণ। ফলে বৃহৎ বাজার হিসেবে সহযোগিতা আরও লাভজনক।


ঐতিহাসিক চ্যালেঞ্জ এবং সমাধান

১৯৭১ সালের মুক্তিযুদ্ধ এখনও দুই দেশের সম্পর্কের সবচেয়ে বড় প্রতিবন্ধকতা। পাকিস্তান এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে দুঃখ প্রকাশ করেনি। এছাড়া, পূর্ব-পাকিস্তান থেকে আগত উর্দুভাষী মুসলিম সম্প্রদায়ের অধিকার ও পূর্ব-পাকিস্তানের সম্পদের বিতরণও আলোচনার বিষয়।

তবে, চৌধুরি, পাকিস্তানের প্রাক্তন পররাষ্ট্র সচিব, বলেন,

“উভয় দেশের জনগণও ১৯৭১ সালের ঘটনাগুলো নিয়ে সমানভাবে ব্যথিত। কিন্তু এখন সময় এসেছে এগিয়ে যাওয়ার।”

অতএব, দুই দেশ অর্থনৈতিক, কূটনৈতিক ও সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়িয়ে পাকিস্তান বাংলাদেশ সম্পর্ককে পুনঃসৃজন করতে চাইছে।

সোর্স:আলজাজিরা



আরও পড়ুন: আবার মুখোমুখি বন্ধুত্বের গল্প, পাকিস্তান-বাংলাদেশ সম্পর্ক কি বদলে যাচ্ছে

দক্ষিণ এশিয়ায় নতুন রাজনীতি

দিল্লি ও ঢাকার সম্পর্ক রাতারাতি কীভাবে বদলে গেল