
যেদিন চীন তার সর্বশেষ সামরিক সরঞ্জাম প্রদর্শন করছিল, সেদিন দেশটির নেতার বক্তব্যে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে ফুটে উঠেছে—চীন কাউকে ভয় পায় না এবং সেই আত্মবিশ্বাসই তার আন্তর্জাতিক অবস্থানের প্রতিফলন।
তিয়েনআনমেন গেটের উপরে দাঁড়িয়ে, শি জিনপিং বলেন, আজকের বিশ্ব “শান্তি এবং যুদ্ধ, সংলাপ এবং সংঘর্ষের মধ্যে একটি কঠিন পছন্দ” এর মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আছে। তিনি পরিষ্কারভাবে ব্যাখ্যা না করলেও তার কণ্ঠে ছিল একরকম শক্তি-নির্ভর শান্তির বার্তা।
শি আরও ঘোষণা করেন, তার মহান জাতি এখন আর ভীত নয়—চীন কাউকে ভয় পায় না—এবং তা প্রমাণ করতে বিশাল সামরিক কুচকাওয়াজে তুলে ধরা হয় অত্যাধুনিক প্রযুক্তি। এদিন প্রকাশ্যে আসে চীনের নতুন সাবমেরিন ড্রোন, লেজার অস্ত্র, এবং আন্তঃমহাদেশীয় ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের মতো উন্নত সামরিক সরঞ্জাম।
এই অনুষ্ঠানে উত্তর কোরিয়ার কিম জং-উন, রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনসহ আরও কিছু বিশ্বনেতার উপস্থিতি পশ্চিমা দুনিয়ার কাছে একটি কৌশলগত বার্তা হিসেবে ধরা পড়েছে।
তবে সমালোচকদের মতে, এটি হতে পারে বেইজিংয়ের পক্ষ থেকে কর্তৃত্ববাদী শাসকদের প্রতি একধরনের সম্মান প্রদর্শনের প্রচেষ্টা—যা আড়াল করে রাখতে চায় ভেতরের আসল উদ্দেশ্য।

