কিম পুতিনকে বলেন যে ২০২৪ সালের জুনের চুক্তির অধীনে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার হয়েছে, যেখানে তারা “আগ্রাসন” এর বিরুদ্ধে পারস্পরিক সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল।
গত বছর রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়া একটি যুগান্তকারী চুক্তিতে স্বাক্ষর করে, যার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ দিক ছিল পারস্পরিক প্রতিরক্ষা ধারা। সেই সময়ে, কিম এই চুক্তিকে “এখন পর্যন্ত সবচেয়ে শক্তিশালী” বলে উল্লেখ করেন, যা দুই দেশের সামরিক ও কৌশলগত সম্পর্কের গুরুত্ব তুলে ধরে।
আজকের বৈঠকে উত্তর কোরিয়ার নেতা জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের মধ্যে বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা আরও গভীর ও বিস্তৃত হওয়া উচিত। তার বক্তব্যে স্পষ্ট ছিল যে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত সহযোগিতা এখন শুধু সামরিক নয়, বরং অর্থনৈতিক ও প্রযুক্তিগত ক্ষেত্রেও প্রসারিত হওয়ার পথে।
বিশ্লেষকদের মতে, এই সহযোগিতা ভবিষ্যতে আঞ্চলিক নিরাপত্তা ভারসাম্যে বড় প্রভাব ফেলতে পারে। রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার কৌশলগত সহযোগিতা যে নতুন মাত্রায় পৌঁছেছে, তা এই সাম্প্রতিক বৈঠক এবং নেতাদের বক্তব্য থেকেই পরিষ্কার।


