একজন প্রাক্তন ভারতীয় ওপেনার মনে করেন, এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা কম।

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দলের সাম্প্রতিক সাফল্য

বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি দল বর্তমানে দুর্দান্ত ফর্মে আছে। তারা নেদারল্যান্ডসের বিপক্ষে ঘরের মাঠে ২-০ ব্যবধানে সিরিজ জিতেছে। যদিও অনেকে ডাচদের বিপক্ষে এই জয়কে খুব বড় কৃতিত্ব দিতে চান না, তবে শ্রীলঙ্কা এবং পাকিস্তানের বিপক্ষেও সিরিজ জয়ের রেকর্ড রয়েছে।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা

এই ফরম্যাটে টি-টোয়েন্টি এশিয়া কাপ এখন বাংলাদেশের পরবর্তী লক্ষ্য। ক্রিকেট বিশেষজ্ঞ এবং প্রাক্তন ভারতীয় খেলোয়াড় আকাশ চোপড়ার মতে, খেলার ধরণ যাই হোক না কেন, বাংলাদেশ গ্রুপ পর্ব থেকে বেরিয়ে যেতে পারে।

গ্রুপ পর্বের প্রতিদ্বন্দ্বী দল

এশিয়া কাপে বাংলাদেশ খেলবে গ্রুপ ‘বি’-তে। এখানে প্রতিদ্বন্দ্বী দল আফগানিস্তান, শ্রীলঙ্কা এবং হংকং। প্রতিটি গ্রুপে চারটি দল থাকবে এবং শীর্ষ দুটি দল যাবে সুপার ফোরে। চোপড়া মনে করেন, গ্রুপ ‘বি’ থেকে আফগানিস্তান ও শ্রীলঙ্কার এগিয়ে থাকার সম্ভাবনা বাংলাদেশের তুলনায় বেশি।

দলের শক্তি: ফাস্ট বোলিং ও লিটন দাস

চোপড়ার মতে, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি তাদের পেস বোলিং ইউনিট। তানজিম, তাসকিন এবং মুস্তাফিজ নতুন ও পুরনো বলে কার্যকর। স্পিন আক্রমণেও বৈচিত্র্য আনা সম্ভব। এছাড়া, ব্যাটিংয়ে লিটন দাস দলের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তিনি নেদারল্যান্ডস সিরিজে দুর্দান্ত খেলেছেন এবং এমভিপি পুরস্কার জিতেছেন। তবে, দলটি লিটনের উপর অত্যধিক নির্ভর করছে।

দলের দুর্বলতা: রান সংগ্রহ ও অলরাউন্ডার ঘাটতি

বাংলাদেশ বড় স্কোর করতে ব্যর্থ হয়। চোপড়ার মতে, এই দল ২১০ বা ২২০ রান করতে সক্ষম নয়। তবে তারা যদি ১৬০-১৮০ রান তুলতে পারে, তবে স্বস্তিতে থাকতে পারে। এছাড়া, দলে একজন কার্যকর অলরাউন্ডারের অভাব রয়েছে। সাকিব আল হাসান দীর্ঘদিন ধরে বিশ্ব আসরে অনুপস্থিত এবং মেহেদী হাসান মিরাজও নেই।

এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা নিয়ে চোপড়ার বিশ্লেষণ

এশিয়া কাপ জয়ের সম্ভাবনা নিয়ে চোপড়া বলেছেন, এশিয়া কাপে বাংলাদেশের সম্ভাবনা সীমিত হলেও দলের হারানোর কিছু নেই। আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় দুর্বল পারফরম্যান্সের দীর্ঘ ইতিহাস থাকলেও, অতীতে বাংলাদেশ বড় চমক দেখিয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, ২০০৭ বিশ্বকাপে তারা ভারতকে বিদায় করেছিল।

গ্রুপ পর্বে কঠিন চ্যালেঞ্জ

টি-টোয়েন্টি ফরম্যাটে যেকোনো দলকেই অবমূল্যায়ন করা অন্যায় হবে। তবে বিশ্লেষকের মতে, বাংলাদেশের কাজ কঠিন। যদি শ্রীলঙ্কা ও আফগানিস্তান যোগ্যতা অর্জন করে, তবে বাংলাদেশ গ্রুপ পর্ব পেরোনো নিয়ে সমস্যায় পড়তে পারে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *